বেশ কিছুদিন ধরে শি/শুটির মা লক্ষ্য করছিলেন, তিনি একটু বাইরে গেলেই ফিরে এসে দেখেন দুই মাসের নবজাতকটি চিৎকার করে কাঁদছে এবং শ*\রী*/রে*র বিভিন্ন স্থানে লা***ল দাগ দেখা যাচ্ছে।
সন্দেহ হলেও প্রমাণ না থাকায় তিনি ঘরের এক কোণে মোবাইলের ক্যামেরা চালু রেখে ওয়াশরুমে যান। আর তখনই সামনে আসে ভয়াবহ সত্য।
ভিডিওতে দেখা যায়, মা ঘর থেকে বের হওয়ার পর শিশুটির আপন বড় চাচি ঘরে ঢুকে ঠান্ডা মাথায় বিছানায় শোয়া শি**শু/টির পা উল্টো দিকে মু*/*চ /ড়ে ভে /ঙে দেন। তীব্র য /ন্ত্র /ণা /য় শিশুটি চিৎ /কা /র করে উঠলে তিনি দ্রুত সেখান থেকে চলে যান।
ভাবতেই অবাক লাগে, একজন নারী, একজন চাচি কীভাবে একটি নি /ষ্পা /প দুই মাসের শি* /শু /র সঙ্গে এমন নি /র্ম /ম আচরণ করতে পারেন! ভিডিওটি না দেখলে বিষয়টি বিশ্বাস করাও কঠিন হতো।
এই ঘটনা প্রমাণ করে, বি /প /দ সব সময় বাইরের মানুষ থেকে আসে না; অনেক সময় আপনজনের মুখোশের আড়ালেও লুকিয়ে থাকে।
সেদিন যদি শি/ শু /টি /র মা ক্যামেরা চালু না রাখতেন, তাহলে হয়তো কখনোই সত্য প্রকাশ পেত না। সবাই হয়তো ভাবতেন শি /শু /টি অ /সু /স্থ, অথবা অন্য কোনো কারণে আ /ঘা /ত পেয়েছে।
এ ধরনের নি /র্ম* /ম অ** পরা /ধের কঠোর শা /স্তি হওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কোনো শি /শু /র ওপর এমন নি /র্যা /ত /নের সাহস কেউ না পায়।
নিজের সন্তানদের প্রতি সব সময় সতর্ক থাকুন। আজকাল কাকে বিশ্বাস করবেন, সেটিই যেন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
ঘটনাটি নরসিংদীর।